Wednesday, July 22, 2026
Homeমূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে নীতি সুদহার ১০ শতাংশ বহাল

মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে নীতি সুদহার ১০ শতাংশ বহাল

টানা মূল্যস্ফীতির চাপ কমাতে নীতিসুদ (পলিসি রেট বা রেপো রেট) অপরিবর্তিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

আজ মঙ্গলবার ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জুলাই-ডিসেম্বর মেয়াদের নতুন মুদ্রানীতিতে নীতিসুদ ১০ শতাংশেই বহাল রাখে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

সাধারণত যে হারে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে স্বল্পমেয়াদি ঋণ নেয় তাকেই রেপো রেট বলা হয়। এই হার ২০২৪ সালের অক্টোবর থেকে ১০ শতাংশে রয়েছে।

এর আগে ২০২২ সালের মে থেকে ২০২৪ সালের অক্টোবর পর্যন্ত টানা ১১ দফা বাড়ানো হয়েছিল।

বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে তারা এখনো সংকোচনমূলক (কন্ট্রাকশনারি) মুদ্রানীতি অনুসরণ করছে। অর্থাৎ, ঋণের খরচ বেশি রেখে বাজারে অর্থের প্রবাহ কমানো এবং অতিরিক্ত চাহিদা নিয়ন্ত্রণ করাই তাদের লক্ষ্য।

তবে এত কড়াকড়ির পরও মূল্যস্ফীতি এখনো কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে নামেনি।

গত মে মাসে মাসিক মূল্যস্ফীতি ছিল ৯ দশমিক ৪২ শতাংশ। আর ১২ মাসের গড় মূল্যস্ফীতি দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ৬৩ শতাংশ। ফলে জুনের শেষে মূল্যস্ফীতিকে ৭ শতাংশে নামিয়ে আনার যে লক্ষ্য ছিল, তা অর্জন করা সম্ভব হয়নি।

এ নিয়ে টানা ছয় বছর মূল্যস্ফীতি বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার ওপরে আছে।

২০২৪-২৫ অর্থবছরে গড় মূল্যস্ফীতি ছিল ১০ শতাংশ। এর আগের বছর, অর্থাৎ ২০২৪ সালের জুনে, এই হার ছিল ৯ দশমিক ৭৩ শতাংশ।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মতে, দীর্ঘদিন ধরে উচ্চ মূল্যস্ফীতির পেছনে একাধিক কারণ কাজ করছে। এর মধ্যে রয়েছে—রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ, মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত, মার্কিন ডলারের বিপরীতে টাকার অবমূল্যায়ন, আন্তর্জাতিক বাজারে পণ্যমূল্যের অস্থিরতা, জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি, সরকারের উচ্চ ঋণগ্রহণ, সরবরাহ ব্যবস্থার নানা বিঘ্ন ইত্যাদি।

বাংলাদেশ ব্যাংকের ধারণা, আগামী মাসগুলোতে মূল্যস্ফীতি ধীরে ধীরে কমতে পারে।

RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments