Friday, July 24, 2026
Homeআর্জেন্টিনার হার, হৃদ্‌রোগে দুই মৃত্যু, আইসিইউতে আরও একজন

আর্জেন্টিনার হার, হৃদ্‌রোগে দুই মৃত্যু, আইসিইউতে আরও একজন

স্পেনের কাছে আর্জেন্টিনার ১-০ গোলে হারের বেদনা শুধু মাঠেই সীমাবদ্ধ থাকেনি। বিশ্বকাপ ফাইনাল চলাকালে তীব্র মানসিক চাপ ও উত্তেজনার মধ্যে আর্জেন্টিনার রাজধানী বুয়েনস আইরেসে হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হয়ে দুই সমর্থকের মৃত্যু হয়েছে। একই ঘটনায় হাসপাতালে নিবিড় পরিচর্যায় (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন রয়েছেন আরও একজন।

বুয়েনস আইরেসের জরুরি চিকিৎসাসেবা সংস্থা এসএএমই জানিয়েছে, বিশ্বকাপ ফাইনালের সময় হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৬৭ ও ৮৮ বছর বয়সী দুই ব্যক্তি।

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টা ৪০ মিনিটে মনসেরাত এলাকার সারান্দি ও আদোলফো আলসিনা সড়কের একটি বাসা থেকে প্রথম জরুরি ফোন আসে। সেখানে ৬৭ বছর বয়সী এক ব্যক্তি হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হন। চিকিৎসাকর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে কার্ডিওপালমোনারি রিসাসিটেশন (সিপিআর) দিলেও তাকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি।

এর আগে, সন্ধ্যা ৫টা ৩৯ মিনিটে, ৮৮ বছর বয়সী আরেক ব্যক্তি শ্বাসকষ্টে আক্রান্ত হলে তার মেয়ে জরুরি সেবায় ফোন করেন। সিপিআর দেওয়ার পর তাকে দুরান্দ হাসপাতালে নেওয়া হয়। তবে কয়েক ঘণ্টা চিকিৎসাধীন থাকার পর সেখানেই তার মৃত্যু হয়।

এ ছাড়া, ৭২ বছর বয়সী আরেক ব্যক্তি হঠাৎ শ্বাসকষ্ট ও বুকে তীব্র ব্যথা অনুভব করলে সন্ধ্যা ৬টা ২২ মিনিটে তাকে আলভারেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে তিনি নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) সংকটাপন্ন অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে জানিয়েছে বুয়েনস আইরেস সিটি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।

এদিকে, ম্যাচ শেষে রাজধানীর প্রতীকী ওবেলিস্ক এলাকায় জড়ো হওয়া সমর্থকদের মধ্যে বেশ কয়েকটি দুর্ঘটনার ঘটনাও ঘটে। ৪৭ বছর বয়সী এক ব্যক্তি প্রায় চার মিটার উঁচু থেকে পড়ে গিয়ে বাম পায়ে গুরুতর ভাঙা ও স্থানচ্যুতির শিকার হন। তাকে জরুরি ভিত্তিতে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যম ইনফোবায়ে জানিয়েছে, উদ্‌যাপন ও জনসমাগমের সময় অতিরিক্ত মদ্যপানজনিত অসুস্থতা, বিভিন্ন ধরনের আঘাত, মারামারিতে মুখ ও নাকে জখম এবং পড়ে গিয়ে আহত হওয়ার একাধিক ঘটনার চিকিৎসা দিতে হয়েছে জরুরি সেবাকর্মীদের।

RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments