প্রতিপক্ষের মুখ, মাথা বা ঘাড়ে হাত দেওয়ার বিষয়ে এমএলএস (মেজর লিগ সকার)-এর কিছু নিয়ম আছে। সেই নিয়ম ভাঙার অপরাধে ইন্টার মায়ামির তারকা ফুটবলার লিওনেল মেসিকে জরিমানা করেছে লিগের শৃঙ্খলা রক্ষা কমিটি। তবে জরিমানের অংকটা গোপন রাখা হয়েছে। অন্য দিকে, বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ফিলাডেলফিয়া ইউনিয়নের ডিফেন্ডার ক্যাভান সুলিভানের জন্য এসেছে সুখবর। তার এক ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা ও সঙ্গে থাকা জরিমানা বাতিল করা হয়েছে।
গত বুধবার চেস্টারে ফিলাডেলফিয়া ইউনিয়নের ঘরের মাঠে ২-২ গোলে ড্র করে ইন্টার মায়ামি। সেই ম্যাচের শেষ দিকে (১০১ মিনিটের মাথায়) ঘটনার সূত্রপাত। ইন্টার মায়ামির ডিফেন্ডার ইয়ান ফ্রেইকেও একই অপরাধে জরিমানা করা হয়েছে।
দ্বিতীয় অর্ধে অতিরিক্ত সময়ের একদম শেষ মুহূর্তে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। ফাউলকে কেন্দ্র করে হাতাহাতিতে জড়ান দুই দলের ফুটবলাররা। এতে মায়ামির ইয়ানিক ব্রাইট ও ফিলাডেলফিয়ার সুলিভানকে লাল কার্ড দেখান রেফারি।
তবে শুক্রবার স্বাধীন বিচারক প্যানেল সর্বসম্মতিক্রমে সুলিভানের পক্ষে রায় দেওয়ায় তার লাল কার্ডের শাস্তি ও জরিমানা তুলে নেওয়া হয়েছে। বিচারক প্যানেলে ইউএস সকার, কানাডা সকার এবং পেশাদার রেফারি সংস্থার একজন করে প্রতিনিধি ছিলেন।
শাস্তি উঠে যাওয়ায় সুলিভানের আর অস্টিন এফসির বিরুদ্ধে পরবর্তী ম্যাচে খেলতে কোনো বাধা নেই। এমএলএস-এর নিয়ম অনুযায়ী, প্লে-অফসহ প্রতি মৌসুমে একেকটি ক্লাব সর্বোচ্চ দুটি ভুল আপিল করার সুযোগ পায়। সুলিভানের বিষয়ে আবেদনটি সফল হওয়ায় ফিলাডেলফিয়ার ঝুঁঝিতে সেই দুটি সুযোগই এখনও রয়ে গেল।
এ ছাড়া অন্য ম্যাচেও উঠেছে শাস্তির খড়্গ। শার্লট এফসির সঙ্গে ৩-৩ গোলে ড্র হওয়া ম্যাচে লাল কার্ড পেয়ে মাঠ ছাড়তে দেরি করায় টরন্টো এফসির ডিফেন্ডার ওয়াকার জিমারম্যানকে জরিমানা করা হয়েছে। অন্যদিকে, আটলান্টা ইউনাইটেডের বিপক্ষে ২-১ গোলে হারা ম্যাচে মাঠে অহেতুক নাটকের আশ্রয় নেওয়ায় (ফাউলের অভিনয় করায়) মিনেসোটা ইউনাইটেডের ডিফেন্ডার অ্যান্থনি মারকানিচকেও জরিমানা করা হয়েছে।

