কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে পীর আবদুর রহমান ওরফে শামীম হত্যায় জড়িত থাকার অভিযোগে আরও একজনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)।
গ্রেপ্তার আসামির নাম রাজীব মিস্ত্রী (৪৫)। তিনি এজাহারভুক্ত ৩ নম্বর আসামি। তার বাড়ি ফিলিপনগর দারোগার মোড় এলাকায়।
আজ শুক্রবার র্যাব-১২ কুষ্টিয়া ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুদীপ্ত সরকার স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়েছে, রাজশাহীর গোদাগাড়ী থানা রোডে নাসিম হেয়ার ড্রেসারের সামনে থেকে গত রাতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
আত্মগোপনে থাকা এই আসামি চুল কাটাতে বের হয়েছিলেন বলে জানিয়েছে র্যাব।
এ নিয়ে শামীম হত্যাকাণ্ডে চারজনকে গ্রেপ্তার করল আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
এর আগে ঘটনার ১৯ দিন পর ২৭ এপ্রিল ভোর রাতে পুলিশ পশ্চিম ফিলিপনগর গ্রামের বাসিন্দা বিপ্লব (২৬) ও আলিফ ইসলাম (২৩) গ্রেপ্তার করে। বর্তমানে তারা কারাগারে আছেন।
সে সময় পুলিশ জানিয়েছিল, দরবারে হামলার সময় ধারণ করা ভিডিও ফুটেজ দেখে তাদের শনাক্তের পর গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
হত্যাকাণ্ডের একদিন পর ১৩ এপ্রিল রাতে শামীমের বড় ভাই ফজলুর রহমান বাদী হয়ে দৌলতপুর থানায় হত্যা মামলা করেন। এজাহারে চারজনের পরিচয় উল্লেখ করা হয়।
এজাহারে কুষ্টিয়া জেলা ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি ও দৌলতপুর উপজেলা জামায়াতের কর্মপরিষদের বর্তমান সদস্য খাজা আহমেদকে (৩৮) প্রধান আসামি করা হয়।
অন্যরা আসামিরা হলেন, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের দৌলতপুর উপজেলা কমিটির সভাপতি মো. আসাদুজ্জামান (৩৫), রাজীব মিস্ত্রী (৪৫) ও ইসলামপুর গ্রামের বাসিন্দা মো. শিহাব।
এছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও ১৮০ থেকে ২০০ জনকে আসামি করা হয় মামলায়।

