Thursday, October 22, 2026
Homeঢাকাই সিনেমার ৫৮ গুণীজন পেলেন সম্মাননা

ঢাকাই সিনেমার ৫৮ গুণীজন পেলেন সম্মাননা

ঢাকার চলচ্চিত্রের ইতিহাসের সঙ্গে জড়িয়ে আছে অসংখ্য মানুষের শ্রম, মেধা ও সৃষ্টিশীলতা। অভিনয়, পরিচালনা, সংগীত, চিত্রগ্রহণ কিংবা চলচ্চিত্র সাংবাদিকতায় যাদের অবদান সমৃদ্ধ করেছে দেশের সিনেমাকে, তাদের অনেককেই এবার সম্মান জানানো হলো।

ঢাকার ৪১৬ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত ‘হৃদয়ে ঢাকা ৪১৬’ উৎসবের উদ্বোধনী দিনে ঢাকাই চলচ্চিত্রের ৫৮ গুণীজন ও তিনটি ঐতিহ্যবাহী প্রেক্ষাগৃহকে দেওয়া হয়েছে সম্মাননা।

পাশাপাশি রাজধানীর মধুমিতা সিনেমা হলে দর্শকদের জন্য আয়োজন করা হয়েছে দেশের স্মরণীয় ১৩টি সিনেমার বিশেষ প্রদর্শনী।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) আয়োজনে গতকাল শনিবার বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে এই উৎসবের উদ্বোধন করা হয়।

জীবিত গুণীজনদের মধ্যে সম্মাননা পেয়েছেন—অভিনেত্রী সুজাতা, সুচন্দা, আনোয়ারা, ববিতা, নূতন, চম্পা ও শাবনাজ। অভিনেতাদের মধ্যে রয়েছেন— উজ্জ্বল, সোহেল রানা, আলমগীর, খাজা নাঈম মুরাদ ও আজাদ রহমান শাকিল।

সম্মাননা পেয়েছেন গীতিকার মোহাম্মদ রফিকুজ্জামান ও মনিরুজ্জামান মনির, সংগীতশিল্পী খুরশিদ আলম ও আবিদা সুলতানা, সংগীত পরিচালক শেখ সাদী খান ও শওকত আলী ইমন এবং চিত্রগ্রাহক রেজা লতিফ ও শফিকুল ইসলাম স্বপন।

পরিচালনায় অবদানের জন্য সম্মাননা দেওয়া হয়েছে ছটকু আহমেদ, হাফিজ উদ্দীন, দেলোয়ার জাহান ঝন্টু, মতিন রহমান, সাইদুর রহমান সাঈদ ও আওকাত হোসেনকে।

মরণোত্তর সম্মাননা পেয়েছেন বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি পরিচালক আবদুল জব্বার খান, নাজির আহমেদ, খান আতাউর রহমান, জহির রায়হান, এহতেশাম, মুস্তাফিজ, আমজাদ হোসেন, সুভাষ দত্ত, দিলীপ বিশ্বাস ও চাষী নজরুল ইসলাম।

অভিনেতাদের মধ্যে মরণোত্তর সম্মাননা পেয়েছেন—আবদুল মতিন, খলিল উল্লাহ খান, নায়করাজ রাজ্জাক, রোজী আফসারী, খান জয়নুল, প্রবীর মিত্র ও বুলবুল আহমেদ।

এ ছাড়া গীতিকার গাজী মাজহারুল আনোয়ার, সংগীত পরিচালক আনোয়ার পারভেজ ও আলাউদ্দীন আলী, সংগীতশিল্পী আজম খান ও এন্ড্রু কিশোর এবং চিত্রগ্রাহক আফজাল চৌধুরী ও এম এ সামাদ।

চলচ্চিত্র সাংবাদিকতায় অবদানের জন্য সম্মাননা পেয়েছেন চিন্ময় মুৎসুদ্দী, রফিকুজ্জামান, অনুপম হায়াৎ, মাহমুদা চৌধুরী ও আবদুর রহমান।

ঢাকার ঐতিহ্যবাহী লায়ন সিনেমা হল, আজাদ সিনেমা হল ও মধুমিতা সিনেমা হলকেও বিশেষ সম্মাননা দেওয়া হয়েছে।

উৎসবের উদ্বোধনী দিনে বাংলাদেশের প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য সবাক চলচ্চিত্র ‘মুখ ও মুখোশ’ প্রদর্শিত হয়েছে।

২৩ আগস্ট বিকেল ৩টায় ‘নবাব সিরাজউদ্দৌলা’ এবং সন্ধ্যা ৬টায় ‘১৩ নং ফেকু ওস্তাগার লেন’ প্রদর্শিত হবে।

২৪ আগস্ট বিকেল ৩টায় জহির রায়হানের কালজয়ী ‘জীবন থেকে নেয়া’ এবং সন্ধ্যা ৬টায় ‘নান্টু ঘটক’ দেখানো হবে।

২৫ আগস্ট বিকেল ৩টায় ‘অশিক্ষিত’ এবং সন্ধ্যা ৬টায় ‘রংবাজ’ প্রদর্শিত হবে।

২৬ আগস্ট বিকেল ৩টায় ‘সবুজ সাথী’ এবং সন্ধ্যা ৬টায় ‘নাচের পুতুল’ থাকছে।

২৭ আগস্ট বিকেল ৩টায় ‘দূরদেশ’ এবং সন্ধ্যা ৬টায় ‘দহন’ প্রদর্শিত হবে।

উৎসবের শেষ দিন ২৮ আগস্ট বিকেল ৩টায় ‘দোস্ত দুশমন’ এবং সন্ধ্যা ৬টায় ‘বধূ বিদায়’ দেখানো হবে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা জহির উদ্দিন স্বপন, সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম, ডিএসসিসির প্রশাসক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম।

আরও উপস্থিত ছিলেন অভিনেত্রী দিলারা জামান, আবদুল আজিজ, মধুমিতা সিনেমা হলের কর্ণধার ইফতেখার উদ্দিন নওশাদ ও সাংবাদিক আহমেদ তেপান্তর।

RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments