Thursday, July 23, 2026
Homeমার্কিন এফ-৩৫ পেতে রুশ এস-৪০০ বিক্রির পরিকল্পনা তুরস্কের, যা বলছে ক্রেমলিন

মার্কিন এফ-৩৫ পেতে রুশ এস-৪০০ বিক্রির পরিকল্পনা তুরস্কের, যা বলছে ক্রেমলিন

যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি যুদ্ধবিমান এফ-৩৫ পেতে রাশিয়ার তৈরি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থা এস-৪০০ বিক্রির পরিকল্পনা করছে তুরস্ক।

তবে মস্কো অন্য দেশের কাছে তুরস্ককে এস-৪০০ বিক্রির অনুমতি দেবে কি না, তা নিয়ে আলোচনা চলছে বলে জানিয়েছে ক্রেমলিন।

আজ শুক্রবার ক্রেমলিন মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভের বরাতে বার্তাসংস্থা এএফপি এ তথ্য জানিয়েছে।

প্রতিবেদনে তুরস্কের গণমাধ্যম হুরিয়েতের বরাতে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র যেন আঙ্কারাকে দেওয়া নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়, এজন্য উপসাগরীয় অঞ্চলের কোনো একটি দেশের কাছে রুশ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থা এস-৪০০ বিক্রির প্রস্তুতি নিচ্ছে তুরস্ক।

যদিও প্রতিবেদনে এ তথ্যের কোনো সূত্র উল্লেখ করা হয়নি।

এ বিষয়ে এএফপির প্রশ্নের জবাবে ক্রেমলিন মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ বলেন, ‘এটি সংবেদনশীল একটি বিষয়। এ ব্যাপারে তুরস্কের সঙ্গে আমাদের যোগাযোগ হয়েছে এবং আমরা আলোচনা অব্যাহত রেখেছি।’

২০১৭ সালে রাশিয়ার কাছ থেকে এস-৪০০ আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা কেনে ন্যাটোর সদস্য তুরস্ক। ২০১৯ সালে প্রথম চালান যায় আঙ্কারায়।

সেসময় তুরস্কের এ সিদ্ধান্তের সমালোচনা করে ন্যাটোর অন্য সদস্য দেশগুলো। তুরস্কের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে যুক্তরাষ্ট্র। একইসঙ্গে ‘মার্কিন এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান কর্মসূচি’ থেকে তুরস্ককে বাদ দেওয়া হয়।

একই কারণে অর্থ পরিশোধ করা সত্ত্বেও যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান দেশে নিতে পারেনি তুরস্ক।

গত মঙ্গলবার ন্যাটো সম্মেলনের ফাঁকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠক করেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান।  

বৈঠকে ট্রাম্প তুরস্ককে আবার এফ-৩৫ কর্মসূচিতে যুক্ত করার বিষয়টি বিবেচনা করার আশ্বাস দেন।

ট্রাম্প বলেন, ‘তুরস্কের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক এখন আরও ভালো। অনেকক্ষেত্রেই অন্য অনেক দেশের চেয়ে আমাদের প্রতি বেশি বিশ্বস্ত ছিল তুরস্ক। আমরা নিষেধাজ্ঞা তুলে নিতে যাচ্ছি।’

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান আশা করছেন, ট্রাম্পের সঙ্গে তার ব্যক্তিগত সুসম্পর্কের কারণে ইতোমধ্যে মূল্য পরিশোধ করা পাঁচটি এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান সরবরাহের পথ উন্মুক্ত হতে পারে।

তবে রাশিয়ার তৈরি আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা এস-৪০০ অন্য কোনো দেশের কাছে বিক্রি করতে হলে মস্কোর অনুমতি নিতে হবে তুরস্ককে। কারণ, এই অস্ত্র পুনরায় রপ্তানির অনুমতি বা লাইসেন্স তুরস্কের নেই।

RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments