Friday, July 24, 2026
Homeম্যারাডোনার পর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ দামে বিক্রি হলো পেলের বিশ্বকাপজয়ী জার্সি

ম্যারাডোনার পর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ দামে বিক্রি হলো পেলের বিশ্বকাপজয়ী জার্সি

১৯৫৮ সালের বিশ্বকাপে ফুটবল দুনিয়া সাক্ষী হয়েছিল পেলে নামের এক বিস্ময়বালকের উত্থানের, পরবর্তীতে যিনি হয়ে উঠেছেন সর্বকালের সেরাদের একজন। ফাইনালে কিশোর পেলের নৈপুণ্যে স্বাগতিক সুইডেনকে হারিয়ে নিজেদের পাঁচ শিরোপার প্রথমটির দেখা পেয়েছিল ব্রাজিল। পেলের সেই কীর্তিমাখা ফাইনালের জার্সি এবার প্রায় ৫ মিলিয়ন ডলারে (বাংলাদেশি মুদ্রায় ৬০ কোটি টাকার বেশি) বিক্রি হয়েছে নিউইয়র্কের এক নিলামে। 

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, ফুটবল ইতিহাসে এর চেয়ে বেশি দামে বিক্রি হওয়া জার্সি আছে কেবল একটি। ১৯৮৬ বিশ্বকাপে দিয়েগো ম্যারাডোনার সেই ঐতিহাসিক ‘হ্যান্ড অব গড’ গোল দেয়ার দিন যে জার্সিটি তিনি পরেছিলেন, ২০২২ সালে এক নিলামে সেটি ৯.৩ মিলিয়ন ডলারে বিক্রি হয়েছিল (বাংলাদেশি মুদ্রায় ৭৭ কোটি টাকার বেশি)। 

পাঁচজন অংশগ্রহণকারী মোট ১০ বার দর হাঁকানোর পর শেষ পর্যন্ত এই দামে বিক্রি হয়েছে ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তির জার্সিটি। এটিই পেলের ফুটবল স্মারকগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি দামে বিক্রি হওয়া স্মারক। এই একই জার্সিটি ২০০৪ সালের অন্য এক নিলামে বাংলাদেশি মুদ্রায় ১ কোটি ৩০ লাখ টাকার বেশি দামে বিক্রি হয়েছিল।

এই বিখ্যাত জার্সিটি পরেই ১৯৫৮ বিশ্বকাপ ফাইনালে স্বাগতিক সুইডেনের বিপক্ষে জোড়া গোল করেছিলেন ১৭ বছর বয়সী পেলে। ব্রাজিলও সেই ফাইনাল জিতেছিল ৫-২ গোলে। বিশ্বকাপ ফাইনালে সবচেয়ে কম বয়সে গোল করার সেই রেকর্ড আজও টিকে আছে।

নিলামকারী প্রতিষ্ঠান সোথবি’স-এর স্পোর্টস স্ট্র্যাটেজি অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট বিভাগের প্রধান ব্রেন্ডন হকস বলেছেন, ‘আজকের এই নিলাম সর্বকালের অন্যতম সেরা ফুটবলারের দীর্ঘস্থায়ী লিগ্যাসির শক্তিশালী নজির। এই জার্সিটি কেবল ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তের এক স্থায়ী স্মারকই নয়, বরং এটি মূলত সেই মুহূর্তটির সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত যা পেলেকে বিশ্ব ক্রীড়াঙ্গনের এক আইকনে পরিণত করেছিল’। 

এই একই নিলামে ফুটবল দুনিয়ার আরও কিছু বিখ্যাত স্মারক বিক্রি হয়েছে চড়া দামে। ১৯৮৬ বিশ্বকাপে ম্যারাডোনার পরা অধিনায়কের আর্মব্যান্ড বিক্রি হয়েছে বাংলাদেশি মুদ্রায় ৬ কোটি ৩১ লাখ টাকার বেশি দামে। 

২০১৭ সালে চ্যাম্পিয়ন্স লীগে পিএসজির বিপক্ষে বার্সেলোনার ৬-১ গোলের সেই স্মরণীয় কামব্যাক ম্যাচে লিওনেল মেসির পরা জার্সি বিক্রি হয়েছে বাংলাদেশি মুদ্রায় ২ কোটি ৬৮ লাখ টাকার বেশি দামে। আর ২০০২ বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের হয়ে ডেভিড বেকহামের ৫০তম ম্যাচের জার্সি বিক্রি হয়েছে বাংলাদেশি মুদ্রায় ৬৩ লাখ টাকার কিছু বেশি দামে।  

 

 

 

 

 

RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments