Thursday, July 23, 2026
Homeযুক্তরাষ্ট্রের সবশেষ পর্যালোচনায় নতুন করে বাড়তি শুল্কের চাপে পড়তে পারে বাংলাদেশ: এডিবি

যুক্তরাষ্ট্রের সবশেষ পর্যালোচনায় নতুন করে বাড়তি শুল্কের চাপে পড়তে পারে বাংলাদেশ: এডিবি

যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য আইনের ৩০১ ধারার আওতায় নতুন দফায় শুল্ক আরোপের প্রস্তুতি নেওয়ায় বাংলাদেশের রপ্তানি খাত নতুন করে চাপের মুখে পড়তে পারে বলে জানিয়েছে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)।

আজ বৃহস্পতিবার প্রকাশিত ‘এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট আউটলুক, জুলাই ২০২৬’ প্রতিবেদনে এডিবি জানিয়েছে, এ পদক্ষেপে শুধু বাণিজ্য ব্যয়ই বাড়াবে না, উন্নয়নশীল এশিয়াজুড়ে অনিশ্চয়তা আরও গভীর করবে।

এডিবির বিশ্লেষণ অনুযায়ী, ৩০১ ধারার আওতায় প্রস্তাবিত পদক্ষেপগুলো বাস্তবায়িত হলে উন্নয়নশীল এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের কার্যকর শুল্কহার ২৪ দশমিক ৮ শতাংশ থেকে বেড়ে ২৫ দশমিক ৯ শতাংশে দাঁড়াবে।

আর, বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ায় শুল্কহার বাড়বে ১ দশমিক ২ শতাংশ পয়েন্ট এবং চীনের নেতৃত্বাধীন উন্নয়নশীল পূর্ব এশিয়ায় বাড়বে ১ দশমিক ৩ শতাংশ পয়েন্ট।

৩০১ ধারার আওতায় পরিচালিত একটি পর্যালোচনার পর ইতোমধ্যে ৬০টি দেশের অর্থনীতির ওপর শুল্ক আরোপের প্রস্তাব করেছে যুক্তরাষ্ট্র।

গত ২ জুন যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধির দপ্তর (ইউএসটিআর) বাংলাদেশ, কম্বোডিয়া, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, পাকিস্তান ও চীনা তাইপের ওপর অতিরিক্ত শুল্ক আরোপের প্রস্তাবসংবলিত একটি সিদ্ধান্ত জারি করে।

জুনে পরিচালিত আরেকটি পর্যালোচনায় ইউএসটিআর বাংলাদেশ, ভারত, চীন, জাপান, যুক্তরাজ্য, ভিয়েতনাম ও থাইল্যান্ডসহ ৫৪টি দেশকে জোরপূর্বক শ্রমে উৎপাদিত পণ্য আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা আরোপ ও তা কার্যকরভাবে প্রয়োগে ব্যর্থ হিসেবে চিহ্নিত করেছে।

কানাডা, মেক্সিকো ও পাকিস্তানসহ আরও ছয়টি দেশের ওপর বিদ্যমান নিষেধাজ্ঞা কার্যকরভাবে প্রয়োগে ব্যর্থতার জন্য চিহ্নিত করা হয়েছে।

প্রস্তাবিত কাঠামো অনুযায়ী, যেসব দেশে জোরপূর্বক শ্রমে উৎপাদিত পণ্য আমদানিতে আংশিক নিষেধাজ্ঞা রয়েছে অথবা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পারস্পরিক বাণিজ্য চলমান রয়েছে, সেসব দেশের ওপর অতিরিক্ত ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হবে।

আর যেসব দেশের এ ধরনের কোনো ব্যবস্থা নেই, তাদের রপ্তানি পণ্যের ওপর আরও বেশি, ১২ দশমিক ৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হতে পারে।

এডিবির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সম্প্রতি কিছুটা শিথিলতা এলেও বাণিজ্যনীতি নিয়ে অনিশ্চয়তা উচ্চ পর্যায়েই থাকতে পারে। ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পর বাণিজ্যনীতি অনিশ্চয়তা সূচক কমেছে। তবে ইউএসটিআরের তদন্তের ফলাফলের ওপর নির্ভর করবে কোন অর্থনীতি কতটা প্রভাবিত হবে।

পরবর্তী পদক্ষেপগুলোর পরিধি, মাত্রা ও সময় এখনো অনিশ্চিত বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments