Thursday, October 22, 2026
Homeঅপরাধশাহজালাল বিমানবন্দরে ইমিগ্রেশনের হটলাইন, যেসব প্রশ্ন পান কর্মকর্তারা

শাহজালাল বিমানবন্দরে ইমিগ্রেশনের হটলাইন, যেসব প্রশ্ন পান কর্মকর্তারা

ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা, পাসপোর্টের মেয়াদ ও ইমিগ্রেশন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রশ্নের উত্তর দিতে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ২৪ ঘণ্টার হটলাইন সেবা চালু করেছে ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ।

স্পেশাল ব্রাঞ্চের (এসবি) ইমিগ্রেশন বিভাগের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা দ্য ডেইলি স্টারকে এ তথ্য জানিয়েছেন।

০১৩২০০০৭৫৮৮ নম্বরের হটলাইন গত ১৯ আগস্ট চালু হয়েছে।

ওই কর্মকর্তা জানান, যাত্রীদের ভোগান্তি কমানো এবং হালনাগাদ ইমিগ্রেশন সংক্রান্ত তথ্য সরাসরি জানানোর উদ্দেশ্যে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওই কর্মকর্তা বলেন, ‘আমরা এমন কর্মকর্তাদের দায়িত্ব দিয়েছি যারা দিনরাত ২৪ ঘণ্টা যাত্রীদের ইমিগ্রেশন সম্পর্কিত যেকোনো প্রশ্নের উত্তর দেবেন।’

ইতোমধ্যে বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশন এলাকায় হটলাইন নম্বর সংবলিত স্টিকার লাগানো হয়েছে।

কর্মকর্তা জানান, যাত্রীদের সেবা সম্পর্কে আরও বেশি সচেতন করতে বড় আকারে প্রচারণার পরিকল্পনা রয়েছে।

তবে এই সেবায় সাড়া দেওয়ার হার এখনো বেশ সীমিত। কর্মকর্তারা জানান, বর্তমানে হটলাইনে প্রতিদিন গড়ে মাত্র দুয়েকটি কল আসছে।

বিমানবন্দর কর্মকর্তারা জানান, ভ্রমণের আগে যাত্রীরা প্রায়ই নানা ধরণের প্রশ্ন নিয়ে ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের কাছে যান।

কেউ জানতে চান পাসপোর্টের মেয়াদ মাত্র চার মাস বাকি থাকলে বিদেশ ভ্রমণ করতে পারবেন কি না। অনেকে তাদের পাসপোর্টের তথ্য দিয়ে জানতে চান কোনো মামলা বা নিষেধাজ্ঞার কারণে বিদেশ যেতে বাধা আছে কি না।

কর্মকর্তারা জানান, বিদেশে যাওয়ার ছাড়পত্র পাবেন কি না—এ বিষয়ে তথ্য জানতে প্রশ্নের সংখ্যা ইদানিং বেড়েছে। এসব কল শুধু দেশের ভেতর থেকেই আসে না, বাইরে থেকেও আসে।

বিদেশ অবস্থানরত বাংলাদেশিরাও হটলাইনে কল করে জানতে চান যে দেশে প্রবেশ বা ফেরার সময় কোনো জটিলতার মুখে পড়বেন কি না। এছাড়া লাগেজ হারিয়ে যাওয়া বা খুঁজে না পাওয়ার বিষয়েও কিছু যাত্রী হটলাইনে যোগাযোগ করছেন।

আরেকটি অন্যতম প্রধান বিষয় হলো—কাউকে দেশত্যাগে বাধার আদেশ।

ইমিগ্রেশন কর্মকর্তারা মাঝে মাঝে এমন ফোন কলও পান যেখানে দাবি করা হয় যে, মামলার কোনো এক আসামি দেশ ছেড়ে পালানোর চেষ্টা করছে। তাকে ফ্লাইটে ওঠা থেকে বিরত রাখতে কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ জানানো হয়।

তবে সিনিয়র কর্মকর্তারা জানান, শুধু টেলিফোন কলে অনুরোধের ওপর ভিত্তি করে কোনো যাত্রীকে আটকানো ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পক্ষে সম্ভব নয়।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আরেক কর্মকর্তা জানান, এসব ক্ষেত্রে আদালতের সুনির্দিষ্ট আদেশ না পাওয়া পর্যন্ত কিছু করার থাকে না।

কর্মকর্তারা আশা করছেন, এই হটলাইন চালু হওয়ায় যাত্রীরা তাদের যাবতীয় প্রশ্নের উত্তর এক জায়গাতেই পাবেন এবং বিদেশে ভ্রমণের আগে আলাদাভাবে ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের ফোন নম্বর খোঁজার ভোগান্তি কমে আসবে।

RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments