Thursday, July 23, 2026
Homeঅপরাধ৯ জেলার প্রাথমিক বৃত্তির ফল ফাঁস, তদন্তে কমিটি

৯ জেলার প্রাথমিক বৃত্তির ফল ফাঁস, তদন্তে কমিটি

প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফল বৃহস্পতিবার প্রকাশের কথা থাকলেও তা শেষ পর্যন্ত প্রকাশ করা হয়নি। তবে আনুষ্ঠানিক ঘোষণার আগেই বৃহস্পতিবার ঢাকা বিভাগের ৯ জেলার ফল নির্ধারিত লিংকে আপলোড করা হয়। পরে সাধারণ ব্যবহারকারীরা ওই লিংকের মাধ্যমে ফল দেখতে পান ও তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

এ ঘটনায় অভিযুক্ত প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে।
একইসঙ্গে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পৃথক দুটি আদেশ থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

একটি আদেশে বলা হয়, প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা ২০২৫ এর ফলাফল ৮ জুলাই প্রস্তুত করা হয়। প্রস্তুত করা ফলাফল ওয়েব পোর্টালে আপলোড করতে প্রয়োজনীয় লিংক তৈরির জন্য অধিদপ্তরের সহকারী মেইনটেন্যান্স মো. মেহতাব কায়েসকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। ফলাফল যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে প্রকাশের আগে তা ওয়েব পোর্টালে আপলোড না করার জন্য তাকে নির্দেশনা দেওয়া হয়। কিন্তু বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় ঢাকা বিভাগের ৯টি জেলার ফলাফল ওই লিংকগুলোতে আপলোড করা হয়। লিংকগুলো থেকে সাধারণ ব্যবহারকারীরা ফলাফল আপলোড করেন এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করেন।

আদেশে আরও বলা হয়, লিংক তৈরি ও লাইভ সার্ভারে ফল আপলোডের সময় প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা প্রটোকল অনুসরণ করা হয়নি। এ ঘটনায় নবম গ্রেডের কর্মকর্তা মেহতাব কায়েসের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিবের কাছে চিঠি দিয়েছে অধিদপ্তর।

অন্য একটি আদেশে কর্তৃপক্ষের বিনা অনুমতিতে ফল প্রকাশের ঘটনা তদন্তে অধিদপ্তরের পরিচালককে (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) আহ্বায়ক করে তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে তিন কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।

এ বছর মোট ৮২ হাজার ৫০০ জন শিক্ষার্থী বৃত্তি পাবে। এর মধ্যে ৮০ শতাংশ পাবে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। বাকি ২০ শতাংশ পাবে বেসরকারি বা কিন্ডারগার্টেনের প্রার্থীরা। বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের ‘ট্যালেন্টপুল’ ও ‘সাধারণ গ্রেড’—এই দুই ভাগে আর্থিক সুবিধা দেওয়া হয়।

রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান ছাড়া দেশের সব জেলায় ১৫ থেকে ১৮ এপ্রিল পর্যন্ত এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। তিন পার্বত্য জেলায় বিশেষ সূচি অনুযায়ী ১৭ থেকে ২০ এপ্রিল পর্যন্ত পরীক্ষা নেওয়া হয়। এ বছর প্রায় ৬ লাখ ৫০ হাজার শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়।
 

RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments