Thursday, July 23, 2026
Homeজন্মভূমির বিপক্ষে হালান্ড, ইংল্যান্ড ম্যাচকে বললেন ‘বিশেষ’

জন্মভূমির বিপক্ষে হালান্ড, ইংল্যান্ড ম্যাচকে বললেন ‘বিশেষ’

বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে এবার এক ভিন্ন আবেগের ম্যাচ অপেক্ষা করছে আর্লিং হালান্ডের জন্য। জন্ম ইংল্যান্ডে, পেশাদার ফুটবলেও খেলছেন ইংলিশ ক্লাব ম্যানচেস্টার সিটির হয়ে। সেই ইংল্যান্ডের বিপক্ষেই এবার বিশ্বকাপের শেষ আটে লড়বে তার দেশ নরওয়ে। তাই ম্যাচটিকে ‘বিশেষ’ বলেই আখ্যা দিয়েছেন এই তারকা স্ট্রাইকার।

মিয়ামিতে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে হালান্ড বলেন, ‘এটি অবশ্যই খুব বিশেষ একটি ম্যাচ। আমি ইংল্যান্ডে খেলি, ইংল্যান্ডেই আমার জন্ম। সেখানে আমার অনেক সতীর্থও আছে। তাই ম্যাচটি ভিন্ন রকমের অনুভূতি দেবে। এটি উপভোগ্য হবে।’

হালান্ডের জন্ম হয়েছিল ইংল্যান্ডে, যখন তার বাবা আলফ-ইঙ্গে হালান্ড লিডস ইউনাইটেডের হয়ে খেলছিলেন। গত চার মৌসুম ধরে ম্যানচেস্টার সিটির জার্সিতে খেলতে খেলতে তিনি প্রিমিয়ার লিগের অন্যতম বড় তারকায় পরিণত হয়েছেন।

২৮ বছর পর বিশ্বকাপে ফিরে নরওয়ে এবার ইতিহাস গড়ছে। প্রথম বড় আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্ট খেলেই হালান্ড চার ম্যাচে সাত গোল করে দলকে কোয়ার্টার ফাইনালে তুলেছেন। শেষ ষোলোতে ব্রাজিলের বিপক্ষে জোড়া গোল করে জয় এনে দেন তিনি।

তবে এমন সাফল্য যে নিজেও কল্পনা করেননি, সেটি স্বীকার করেছেন ২৫ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ড, ‘সত্যি বলতে আমি এমনটা আশা করিনি। নরওয়েকে নিয়ে বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠা আমার কাছেও বিস্ময়কর। ব্রাজিলকে হারিয়ে এখন বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে খেলতে নামা আমাদের জন্য দারুণ এক অভিজ্ঞতা।’

তিনি আরও বলেন, ‘নরওয়েতে মানুষ যেভাবে উদযাপন করছে, তা দেখলে বুঝবেন, এটি আমাদের জন্য একেবারেই স্বাভাবিক ঘটনা নয়। তাই সবকিছুই খুব বিশেষ মনে হচ্ছে।’

অন্যদিকে ইংল্যান্ড টানা তৃতীয় বিশ্বকাপে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠলেও ৬০ বছর ধরে কোনো বড় শিরোপা জিততে পারেনি। সেই চাপ ইংল্যান্ডের কাঁধেই তুলে দিতে চান হালান্ড, ‘ইংল্যান্ড অবশ্যই শিরোপার অন্যতম দাবিদার। তাই আমি বলব, যতটা সম্ভব চাপ ইংল্যান্ডের খেলোয়াড়দের ওপরই দিন।’

বিশ্বকাপে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রেও জনপ্রিয় হয়ে উঠেছেন হালান্ড। আইভরি কোস্টের বিপক্ষে জয়ের পর ডালাসে কাউবয়ের পোশাক পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করা তার ভিডিও ভাইরাল হয়।

এ নিয়ে হালান্ড বলেন, ‘আমেরিকানদের আমি খুব পছন্দ করি। তারা দারুণ মজার মানুষ। এখানে বিশ্বকাপের সবকিছুই অসাধারণ -ম্যাচ, স্টেডিয়াম, অনুশীলনের মাঠ, সবকিছুই আমাকে মুগ্ধ করেছে। আমি সত্যিই খুব আনন্দিত।’

 

RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments