টেলিভিশনে সাড়া জাগানো ‘চিরসবুজ’ নায়ক তিনি। অভিনেতা পরিচয়ের বাইরে নাট্যপরিচালক, চিত্রশিল্পী ও লেখক হিসেবেও তার খ্যাতি রয়েছে। তিনি আফজাল হোসেন। এখনো নাটক, চলচ্চিত্র ও ওটিটি—তিন মাধ্যমেই সমানতালে অভিনয় করে চলেছেন।
সম্প্রতি ‘জোহরা বেগমের ইচ্ছাপত্র’ নামের একটি টেলিফিল্মে কাজ করেছেন আফজাল হোসেন। তৌকীর আহমেদের রচনায় এটি পরিচালনা করেছেন আরিফ খান। এই টেলিফিল্মে ফেরদৌসী মজুমদারের বড় ছেলের চরিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি।
অনেক বছর আগে ‘সুন্দর সর্বনাশ’ নামে একটি নাটক লিখেছিলেন আফজাল হোসেন। সেই নাটকে অভিনয় করেছিলেন ফেরদৌসী মজুমদার। এবার দুজন একসঙ্গে পর্দা ভাগ করছেন এই টেলিফিল্মে।
ফেরদৌসী মজুমদারের সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতা জানাতে গিয়ে আফজাল হোসেন বলেন, ‘তিনি এ দেশের একজন বিখ্যাত ও গুণী শিল্পী। তিনি অসংখ্য মানুষের মন জয় করেছেন। এখনো মঞ্চে তিনি সাবলীল।’
আক্ষেপের সুরে তিনি বলেন, ‘উনার মতো শিল্পীর জন্য আমাদের দেশে সেভাবে চরিত্র তৈরি করা হয় না। এই টেলিফিল্মে তা হয়েছে। এখানে তিনি একজন অভিনয়শিল্পীর চরিত্রেই অভিনয় করেছেন।’
ফেরদৌসী মজুমদারের সঙ্গে কাজ করার অনুভূতি সম্পর্কে অভিনেতা বলেন, ‘এই বয়সেও তার অনেক সংলাপ মুখস্থ! মন ভালো হয়ে যায়। কাছ থেকে তাকে অভিনয় করতে দেখে অনুপ্রাণিত হয়েছি। উনার সঙ্গে কাজ করতে পেরে আমি মহাআনন্দিত।’
‘জোহরা বেগমের ইচ্ছাপত্র’ টেলিফিল্মে কয়েক প্রজন্মের শিল্পীরা একসঙ্গে কাজ করেছেন। এ বিষয়ে আফজাল হোসেন বলেন, ‘হ্যাঁ, কয়েক প্রজন্মের শিল্পীরা মিলে এখানে অভিনয় করেছি। এটিও অনেক ভালো একটা অভিজ্ঞতা।’
ফেরদৌসী মজুমদারকে ঘিরেই এই টেলিফিল্মের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে জানিয়ে আফজাল হোসেন বলেন, ‘মূলত ফেরদৌসী মজুমদারকে সম্মান জানানোর জন্যই আমি এই নাটকটি করার প্রস্তাব দিয়েছিলাম। উনার সম্মানেই আমরা সবাই মিলে কাজটি করেছি। আমার মনে হয়েছে, উনাকে এই সম্মানটুকু জানানো দরকার। কাজটি করার পর এখন মনে হচ্ছে, আমাদের ইচ্ছাপূরণ হয়েছে।’

